ঢাকাসোমবার , ১১ এপ্রিল ২০২২
  1. অপরাধ,দূর্নীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ক্যাম্পাস
  4. খেলাধুলা
  5. গ্রামবাংলা
  6. জাতীয়
  7. ফিচার
  8. বিনোদন
  9. মুক্তমত
  10. রকমারি
  11. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুদে শিশু টাঙ্গাইলের মেয়ে সামিহার গল্প 

অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ১১, ২০২২ ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

টাঙ্গাইলের মেয়ে ফাহমিদা ফাইজা সামিহা। টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে ঘেরা বাঘের বাড়ি তাঁর গ্রামের বাড়ি। টাঙ্গাইলের মেয়ে হলেও বাবা-মা’র চাকরি সূত্রে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। সামিহা পরিবারের বড় সন্তান। তাঁর ৪ বছর বয়সী এক ছোট ভাই রয়েছে। সামিহা কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার শোলাকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে পড়াশোনায় যথেষ্ট মনোযোগী এবং অত্যন্ত মেধাবী। স্কুলের শিক্ষকেরা তাকে অনেক বেশি আদর করে ও ভালোবাসে। স্কুলের বন্ধু ও সহপাঠীরাও তাকে অনেক ভালোবাসে। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি তাঁর প্রবল ঝোঁক। যখন পড়তে ভালো না লাগে কিংবা মন খারাপ থাকে তখনই রং-পেনসিল নিয়ে ছবি আঁকতে বসে যায়। যে বয়সে বাচ্চারা বিভিন্ন ধরনের গেইমস কিংবা কার্টুন দেখার নেশায় মত্ত থাকে সে বয়সে মনের মাধুরী মিশিয়ে ছবি আঁকা তাঁর প্রবল নেশা। বাসায় রয়েছে তাঁর আঁকা ছবির বিশাল সংগ্রহশালা। প্রথম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় তাঁর আঁকা কয়েকটি ছবি বাংলাদেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ছাপা হয়। এখনো তাঁর আঁকা ছবি জনপ্রিয় বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিত ছাপা হচ্ছে। তাঁর আঁকা ছবি ইতিমধ্যে দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক কালের কণ্ঠ, দৈনিক সমকাল, দৈনিক করতোয়া, দৈনিক আমাদেরসময়, দৈনিক খোলা কাগজ প্রভৃতি পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সে বহুবার পুরস্কৃত হয়েছে। তাঁর আঁকা ছবিতে সাধারণত গ্রাম বাংলার নৈসর্গিক সৌন্দর্যের চিত্র ফুটে উঠে। গ্রামীণ পরিবেশ, ষড়ঋতু, নদী, গাছ, পাখি প্রভৃতির দৃশ্য আঁকতে তাঁর খুবই ভালো লাগে। সামিহা সুন্দর ছবি আঁকার পাশাপাশি ভালো কবিতাও আবৃত্তি করে। সামিহার প্রিয় রঙ গোলাপি। পরিবারের সদস্যদেরকে সাথে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে তাঁর খুবই ভালো লাগে। তাঁর প্রিয় খাবারের মধ্যে মাছ, মাংস, বার্গার, ফুচকা ইত্যাদি অন্যতম। সামিহা মা-বাবাকে পরিবারের বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করে। তাঁর একমাত্র ছোট ভাইকে সে যথেষ্ট স্নেহ করে। সামিহার বাবা-মা দু’জনই শিক্ষক। তাঁরা সামিহার বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকে। সামিহার এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার বাকি আছে। সে পড়াশোনা শেষ করে ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিজেকে দেখতে চায়। ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে দেশ, জাতি ও মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগ করতে চায়। পাশাপাশি অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চায়।

এই সাইটে প্রতিনিধির পাঠানো নিজস্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।