ঢাকামঙ্গলবার , ২৫ অক্টোবর ২০২২
  1. অপরাধ,দূর্নীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি সংবাদ
  4. ক্যাম্পাস
  5. খেলাধুলা
  6. গ্রামবাংলা
  7. জাতীয়
  8. ধর্ম,সাহিত্য
  9. ফিচার
  10. ফেসবুক কর্নার
  11. বিনোদন
  12. মুক্তমত
  13. রকমারি
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তিনবিঘা করিডোর এক্সপ্রেস বাস্তবায়ন প্রসঙ্গ

অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ২৫, ২০২২ ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অনগ্রসর অঞ্চল লালমনিরহাটের বুড়িমারী, আঙ্গরপোতা, দহগ্রামে,পাটগ্রাম,বাউরা,বড়খাতা,হাতীবান্ধা, ভোটমারী, কালীগঞ্জ,কাকিনাসহ আশেপাশের অঞ্চলগুলোর সাথে ঢাকার সরাসরি রেল যোগাযোগের আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে  এবং রেল কে অাধুনিকভাবে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে, আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনে ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী ‘তিন বিঘা করিডোর এক্সপ্রেস’ নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর কথা বলেছিলেন। ট্রেনটি বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে ঢাকা রুটে চলাচলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তার প্রতিশ্রুতির প্রায় ১ যুগ হতে চললেও চালু হয়নি ‘তিন বিঘা করিডোর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি।সেজন্য কাঙ্ক্ষিত রেল সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। অপরদিকে আমরা সকলেই জানি,তিনবিঘা করিডোরে ২৪ ঘণ্টার জন্য উম্মুক্ত করা হলেও যানবাহন ব্যবহারের ব্যাপারে আমরা পূর্ণ স্বাধীনতা পাইনি। বিএসএফের বাধার কারণে দহগ্রাম থেকে কোনো যাত্রীবাহী বাস চলাচল করতে না পারে। দহগ্রাম, আঙ্গরপোতার লোকজনকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ অটোরিকশা অথবা ভ্যানে করে পাটগ্রাম আসতে হয়। ঢাকা যেতে হলে বাসেই একমাত্র ভরসা। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো দিনের বেলায় বুড়িমারী টু ঢাকা বা ঢাকা টু বুড়িমারী কোনো বাস চলাচল করে না। সড়কপথ সে যেন আরেক আতঙ্কের নাম।জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই,বাসে উঠলেই একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয়। ফলে লোকজন জরুরি কাজ বা চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে সহজে আসতে পারে না। তাছাড়া প্রতিনিয়ত নিরাপদ বাহন হিসেবে রেলপথ ব্যবহারের দিকে মানুষ ঝুঁকছে।  একটি আন্তঃনগর ট্রেন প্রতিদিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে লালমনিরহাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। তবে দহগ্রাম থেকে প্রায়  ৯০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সকাল ১০টা ৪০মিনিটে লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনটি ধরা অসম্ভব। তিন বিঘা করিডোর এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালু হলে খুব তাড়াতাড়ি এবং স্বল্প খরচে দহগ্রাম, আঙ্গরপোতা, বুড়িমারী, পাটগ্রাম,বাউরা,বড়খাতা,হাতিবান্ধা, কালীগঞ্জ,কাকিনাসহ আশেপাশের  লোকজন সহজে যাতায়াত করতে পারবে।এছাড়া আধুনিক বাহনের সাথে যুক্ত হবে অঞ্চল গুলো।ট্রেনটি চালুর মাধ্যমে তিনবিঘা করিডোরের যে ইতিহাস আর এটা এই অঞ্চলের  মানুষের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটাও উপলব্ধি করতে পারবে। ট্রেনটি চালুর ব্যাপারে বিভিন্ন সমাজসেবী সংগঠন আন্দোলন ও দাবি জানিয়ে আসলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। কাজেই বর্তমান প্রজন্মের একজন তরুণ হিসেবে দাবি জানাই, ট্রেনটি খুব তাড়াতাড়ি চালু করা হোক এজন্য প্রধানমন্ত্রী ও রেল মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
মোঃ রবিউল ইসলাম
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

এই সাইটে প্রতিনিধির পাঠানো নিজস্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।