ঢাকামঙ্গলবার , ২২ নভেম্বর ২০২২
  1. অপরাধ,দূর্নীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি সংবাদ
  4. ক্যাম্পাস
  5. খেলাধুলা
  6. গ্রামবাংলা
  7. জাতীয়
  8. ধর্ম,সাহিত্য
  9. ফিচার
  10. ফেসবুক কর্নার
  11. বিনোদন
  12. মুক্তমত
  13. রকমারি
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ত্রিশ রকমের ভর্তা নিয়ে চিতই পিঠা বিক্রির ধুম

অনলাইন ডেস্ক
নভেম্বর ২২, ২০২২ ৬:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর বাজারের মহুয়ার মোড়ে ৩০ রকমের ভর্তার সমন্বয়ে চিতই পিঠা বিক্রি করেন শুভ শেখ ও আলী শেখ।নানা রকমের নানা স্বাদের ভর্তার টানে তাদের পিঠার দোকানে যেন ভিড় লেগেই থাকে। বেচা-বিক্রিও তাদের সবচেয়ে বেশি।

৫ টাকার চিতই পিঠার সাথে এখানে চিংড়ি ভর্তা, চ্যাপা শুটকি ভর্তা, পাবদা শুকটি ভর্তা, পুটি শুটকি ভর্তা, টাকি শুটকি ভর্তা, লইট্টা শুটকি ভর্তা, লোনা ইলিশ ভর্তা, কাচকি শুটকি ভর্তা, ডাল ভর্তা, বাদাম ভর্তা, সরিষা ভর্তা, রসুন ভর্তা, কাঁচা মরিচ ভর্তা, শুকনা মরিচ ভর্তা, টমেটো ভর্তা, ধনেপাতা ভর্তা, কালিজিরা ভর্তা, আলু ভর্তা, মিক্স ভর্তাসহ প্রায় ৩০ প্রকারের ভর্তা মিলছে। ভর্তা গুলো পিঠার দোকানের টেবিলে সাজানো থাকে। লোভনীয় স্বাদ গ্রহণ করতে এখানে বিভিন্ন বয়সের মানুষের সমাগম ঘটছে। তারা ৫ টাকা দিয়ে একটি চিতই পিঠা কিনে সাথে রকমারী ভর্তার স্বাদ নিতে পারছেন। চিতই পিঠার সাথে পছন্দের বাহারী সব ভর্তার স্বাদ নিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে ভোজন রসিকরা।

পিঠা বিক্রেতা মোঃ শুভ শেখ বলেন, আমরা দুই ভাই কোটালীপাড়া উপজেলা সদরের  মহুয়ার মোড়ে প্রতিদিন দুপুরের পর থেকে পিঠা বিক্রি শুরু করি। গভীর রাত পর্যন্ত চলে আমার এ পিঠা বিক্রি। নানা ধরণের পিঠা তৈরী করলেও সব চেয়ে বেশী চলে চিতই পিঠা এবং ভর্তা।

অপর পিঠা বিক্রেতা সহোদর মোঃ আলী শেখ বলেন, আমরা প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ কেজি চালের গুড়ি দিয়ে চিতই পিঠা বানিয়ে এখানে বিক্রি করি। এতে আমাদের প্রায় ১৫শত থেকে ২হাজার টাকা লাভ হয়। এ শীতের মৌসুমে আমরা শুধু এখানেই পিঠা বিক্রি করিনা। বিভিন্ন সংগঠন থেকে পিকনিকে গেলে তারা পিঠা খাওয়ার জন্য আমাদেরকে সাথে নিয়ে যায়। তখন তারা আমাদেরকে যে ধরণের পিঠা তৈরি করে দিতে বলে আমরা সেই ধরণের পিঠা তৈরি করে দেই। আমাদের প্রায় শতাধিক প্রকার পিঠা তৈরির অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কোটালীপাড়া উপজেলার তারাশী গ্রামের বাসিন্দা আনন্দ দাস (৪৫) বলেন, এখানে ৫ টাকা দিয়ে একটি চিতই পিঠা কিনলে সাথে ৩০ প্রকারের ভর্তা পাওয়া যায়। এক এক ধরণের ভর্তার স্বাদ এক এক রকম। পিঠা খাওয়া শুরু করলে ভর্তা দিয়ে এক সাথে ৮/১০ টি খেয়ে ফেলি। তাই  সন্ধ্যায়  ভর্তার টানে এখানে  চিতই পিঠা খেতে আসি।
পিঠা খেতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এ উপজেলায় একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকুরী করি। পরিবারের কেউ এখানে থাকে না। তাই বাসায় পিঠা তৈরি করে খাওয়ার সুযোগ নেই। এ জন্য যখন পিঠা খেতে মন চায় তখনই এখানে চলে আসি। দুই ভাইয়ের চিতই পিঠা ও ভর্তা খুবই সুস্বাদু।

প্রতিদিন দুপুরের পর থেকে পিঠা বিক্রি শুরু হলেও সন্ধ্যার পরে এসব পিঠার দোকানে ভোজন রসিকদের প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ক্রেতারা পছন্দের ভর্তা দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খায় এ চিতই পিঠা। কেউবা আবার আপন জনদের জন্য কিনে নিয়ে যান। পিঠা বিক্রেতারাও কামিয়ে নিচ্ছেন টাকা। পিঠা বিক্রি করে তারা সংসার চালাচ্ছেন স্বাচ্ছন্দে।

কোটালীপাড়া উপজেলা সদরের পিঠা বিক্রেতা জমিলা খাতুন বলেন, আমরা  উপজেলা সদরে ফুটপাতে বসে খোলা আকাশের নিচে গভীর রাত পর্যন্ত পিঠা বিক্রি করি। আমাদেরকে সরকারি ভাবে স্থায়ী ভাবে বসার একটু জায়গা করে দিলে আমরা উপকৃত হতাম।

এই সাইটে প্রতিনিধির পাঠানো নিজস্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।