বিয়ের প্রোলভনে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ


dailymukti24 প্রকাশের সময় : ২০২৫-০৩-১৯, ১০:৩০ AM / ১০
বিয়ের প্রোলভনে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
আরিফুল ইসলাম, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় বিয়ের প্রোলভন দেখিয়ে ৭ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৪ মার্চ রাতে ধর্ষিতার নিজ বাড়িতে ধর্ষণের এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সোহেল রানা (২২) ফরিদপুর সদরের কৈজুরি ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের মোঃ নিজাম উদ্দিন এর পুত্র। এই বিষয়ে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে সোমবার (১৭ মার্চ) সালথা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মেয়েটি (১৩) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী। মেয়েটির মা প্রবাশে থাকে এবং বাবা ও ভাই কাজের জন্য বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকে। প্রায় দুমাস পূর্বে মেয়েটি তার ভাবির সাথে অভিযুক্ত সোহেলের বাড়ির পাশে ভাবির বাবার বাড়ি বেড়াতে গেল, সেখানে সোহেলের সাথে পরিচয় হয়। এরপরই সোহেলের কুনজরে পড়ে মেয়েটি, সোহেল কৌশলে মেয়েটির ফোন নম্বর সংগ্রহ করে। এরপর বিভিন্ন প্রোলভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ১৪ মার্চ মেয়েটি রাতের বেলা বাড়িতে একা ছিলো। সোহেল বিষয় টি জানতে পেরে মেয়েটির বাড়িতে যায় এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি ও প্রোলভন দেখিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়ের বাবা থানায় অভিযোগ করে।
স্কুল শিক্ষার্থীর ভাবি জানায়, সোহেলের বাড়ি আমাদের বাড়ির পাশেই, তবে সম্পর্কের বিষয়ে কিছুই জানতাম না। সোহেল খারাপ প্রকৃতির ছেলে, এর আগে কয়েকটা মেয়েকে প্রেমের ফাদে ফেলে তাদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। আমি সোহেলের কঠিন বিচার চাই যাতে সে আর কোন মেয়ের সাথে অন্যায় করতে না পারে।
ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবা জানান, এই ঘটনা জানাজানি হবার পর আমার মেয়ে কয়েকদফা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। আমি মামলা করায় সোহেল ও তার পরিবারের সদস্যরা আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করছে। তাছাড়া আমাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করবে বলেও জানতে পেরেছি। বর্তমানে আমি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।  আমি মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় ও পুলিশ সুপার মহোদয় সহ সকলের কাছে এই ঘটনার বিচার চাই এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই।
এই বিষয়ে জানতে সোহেল রানার বাড়িতে খোঁজ খবর নিলে তাকে বাড়িতে পাওয়া যায় নাই। এমনকি সোহেলের ব্যবহৃত ফোন নম্বরটাও বন্ধ পাওয়া যায়।
সালথা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো আতাউর রহমান বলেন, এই বিষয়ে ঐদিনই ধর্ষণের মামলা রজু করা হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরিক্ষা ও বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেছে। আসামী কে আটকের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গ্রামবাংলা বিভাগের আরো খবর

মোসফিকা আক্তার, নওগাঁ প্রতিনিধি,  আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও ৫ জন অদম্য নারীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর ২০২৫) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয় পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও ৫ অদম্য নারীকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।   অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর সিভিল সার্জন আমিনুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন মুনীর আলী আকন্দ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার‌ মশিউর রহমান।  আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও বৈষম্য রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নারীরা আজ আর পিছিয়ে নেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, ব্যবসা ও উদ্যোক্তা খাতসহ সব ক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা আরও বৃদ্ধি করা জরুরি।  অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহসিকতা, সংগ্রাম ও সাফল্যের জন্য নির্বাচিত ৫ জন অদম্য নারীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান। জেলা প্রশাসক ও অতিথিবৃন্দ হাতে হাতে তাদের সম্মাননা তুলে দেন। সম্মাননা প্রাপ্ত নারীরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এ সম্মাননা ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।  অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে নওগাঁ জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা সংস্থা, নওগাঁ।  অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সবাই একযোগে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার অঙ্গীকার করেন।

মোসফিকা আক্তার, নওগাঁ প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও ৫ জন অদম্য নারীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর ২০২৫) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয় পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও ৫ অদম্য নারীকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর সিভিল সার্জন আমিনুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন মুনীর আলী আকন্দ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার‌ মশিউর রহমান। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও বৈষম্য রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নারীরা আজ আর পিছিয়ে নেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, ব্যবসা ও উদ্যোক্তা খাতসহ সব ক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা আরও বৃদ্ধি করা জরুরি। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহসিকতা, সংগ্রাম ও সাফল্যের জন্য নির্বাচিত ৫ জন অদম্য নারীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান। জেলা প্রশাসক ও অতিথিবৃন্দ হাতে হাতে তাদের সম্মাননা তুলে দেন। সম্মাননা প্রাপ্ত নারীরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এ সম্মাননা ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে নওগাঁ জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা সংস্থা, নওগাঁ। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সবাই একযোগে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার অঙ্গীকার করেন।

আরও খবর