চরফ্যাসনে ১লাখ ৯৯ হাজার ১৬০ মেট্রিক টন  ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা


dailymukti24 প্রকাশের সময় : ২০২৫-০৫-০৮, ১১:৩৫ PM / ১৪
চরফ্যাসনে ১লাখ ৯৯ হাজার ১৬০ মেট্রিক টন  ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা
এম ফাহিম,চরফ্যাসন(ভোলা)।।
এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে ভোলার চরফ্যাসনে মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোলানী স্বপ্ন বোরো ধান। যতদূর চোখ যায় সেখানেই দেখা যায় এক মনোরম সোনালী দৃশ্য । ইতোমধ্যে কৃষক কৃষাণীরা ধানের ক্ষেত (জমি) থেকে ধান কেটে ঘরে তুলতে শুরু করেছেন চাহিদাসম্পন্ন লাভে বিক্রির আশায় ।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে , এ বছরে উপজেলার পৌরসভা সহ ২১টি ইউনিয়নে ৩০ হাজার ৬শ ৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ১৭ হাজার ৭শ ৫০ হেক্টর জমিতে উচ্চফলনশীল উফসী জাতের চাষাবাদ হয়েছে। ১২ হাজার ৮শ ৯০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের ধান চাষাবাদ হয়েছে। ধানের জাতের মধ্যে উফসী জিংক সমৃদ্ধি ব্রি-৭৪, ব্রি-২৮ ও ব্রি-৬৭ ধানের চাষাবাদ করেছে কৃষকরা।
এছাড়া অন্যান্য জাতের স্থানীয় বোরো ধান চাষাবাদ করা হয়েছে। ১লাখ ৯৯ হাজার ১৬০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে এ উপজেলাতে।
প্রতি মন ধানের মূল্য ১ হাজার টাকা নির্ধারন করেছেন কৃষি বিভাগ। এ হিসেবে উৎপাদিত ধানের মূল্য দাড়ায় ৪শ ৯৭ কোটি ৯ লাখ টাকা । প্রতি বছর একটি নিদিষ্ট সময়ে এ ধান করে থাকেন কৃষকরা। বোরো ধঅন রোপন শুরু হয় বাংলা কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস থেকে। পুরো বৈশাখমাস জুড়ে চলে ধান ঘরে তোলা উৎসব। আমনের মৌসুম শেষ হলেই বোরোর মৌসুম শুরু হয়।কৃষকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, বছরের সঠিক সময়ের মধ্যে জমি চাষ দিয়ে ফসল উৎপাদনের উপযোগী করে বোরো ধানের চারা রোপন করা হয়। এতে তাদের প্রতি ৮ শতাংশ জমিতে কায়িক শ্রম সহ ৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে বলে জানান। কৃষকেরা ভালো দামে ধান বিক্রির আশায় গত ১ সপ্তাহ ধরে কৃষকরা ভোর থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত দিনভর ব্যস্ত থাকছেন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে ।
আব্দুল্লাহ পুর ইউনিয়নের কৃষক খালেক সিকদার জানান, এবছর তিনি ৪০ শতাংশ জমিতে উফসী ব্রি-৭৪ ধান চাষ করেছেন। এছাড়া ও বারসো-৫ এবং হিরা-২ চাষ করার ইচ্ছা থাকলেও বীজ না থাকায় চাষ করতে পারেননি। তবে তার সকল ফসলের ভালো ফলন হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাজমুল হুদা জানান, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষকরা লাভবান হবেন।

গ্রামবাংলা বিভাগের আরো খবর

মোসফিকা আক্তার, নওগাঁ প্রতিনিধি,  আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও ৫ জন অদম্য নারীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর ২০২৫) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয় পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও ৫ অদম্য নারীকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।   অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর সিভিল সার্জন আমিনুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন মুনীর আলী আকন্দ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার‌ মশিউর রহমান।  আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও বৈষম্য রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নারীরা আজ আর পিছিয়ে নেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, ব্যবসা ও উদ্যোক্তা খাতসহ সব ক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা আরও বৃদ্ধি করা জরুরি।  অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহসিকতা, সংগ্রাম ও সাফল্যের জন্য নির্বাচিত ৫ জন অদম্য নারীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান। জেলা প্রশাসক ও অতিথিবৃন্দ হাতে হাতে তাদের সম্মাননা তুলে দেন। সম্মাননা প্রাপ্ত নারীরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এ সম্মাননা ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।  অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে নওগাঁ জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা সংস্থা, নওগাঁ।  অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সবাই একযোগে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার অঙ্গীকার করেন।

মোসফিকা আক্তার, নওগাঁ প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও ৫ জন অদম্য নারীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর ২০২৫) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয় পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও ৫ অদম্য নারীকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর সিভিল সার্জন আমিনুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন মুনীর আলী আকন্দ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার‌ মশিউর রহমান। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও বৈষম্য রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নারীরা আজ আর পিছিয়ে নেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, ব্যবসা ও উদ্যোক্তা খাতসহ সব ক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা আরও বৃদ্ধি করা জরুরি। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহসিকতা, সংগ্রাম ও সাফল্যের জন্য নির্বাচিত ৫ জন অদম্য নারীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান। জেলা প্রশাসক ও অতিথিবৃন্দ হাতে হাতে তাদের সম্মাননা তুলে দেন। সম্মাননা প্রাপ্ত নারীরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এ সম্মাননা ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে নওগাঁ জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা সংস্থা, নওগাঁ। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সবাই একযোগে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার অঙ্গীকার করেন।

আরও খবর