
সম্প্রতি অনুষ্টিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী তারা মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুসারে তাদের জামানত ফেরতযোগ্য নয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে বিজয়ী প্রার্থী ধানের শীষ প্রতিকে ১২৩৯৪৬ ভোট পেয়ে রোকন উদ্দিন বাবুল বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতের প্রার্থী দাড়িপাল্লা প্রতিকে ১১৭২৫২ ভোট পেয়েছেন। এ আসনের বাকী পাঁচ প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট কলম প্রতিকে জনতার দলের প্রার্থী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম কামাল ২০১২৭ ভোট , বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নিমাই চন্দ্র কাস্তে প্রতিকে ১৩৮৯ ভোট , জাতীয় পার্টির এলাহান উদ্দিন লাঙ্গল প্রতিকে ৮১০ ভোট , স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী শান্ত ৩৪৯৯ ভোট , ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহফুজার রহমান হাতপাখা প্রতিকে ৬৯৩৯ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে মোট প্রাপ্ত বৈধ ভোটার সংখ্যা ২৭৩৬৬২ ভোট।
প্রাপ্ত ভোট অনুসারে পাঁচজন প্রার্থীর নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের কমপক্ষে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে তার জমাকৃত জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, মোট সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষে গণনা কার্যক্রম শেষ করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কোথাও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

প্রতিবেদকের নাম 














