মডেল কেশবপুর গড়ার অঙ্গীকার মোক্তারের


dailymukti24 প্রকাশের সময় : ২০২৬-০২-১৫, ৩:১৪ PM / ০ Views
মডেল কেশবপুর গড়ার অঙ্গীকার মোক্তারের

ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-০৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী সংসদ সদস্য পদে বিজয় অর্জন করেছেন। তিনি মোট ৯১ হাজার ১৮ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩২১ ভোট।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (যশোর-০৬) রেকসোনা খাতুন স্বাক্ষরিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এর বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

নির্বাচনে অপর তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের গাজী মোঃ শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১ হাজার ২৭৫ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জি এম হাসান পেয়েছেন ৯৬০ ভোট। এছাড়া আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহমুদ হাসান পেয়েছেন ৬৫৭ ভোট।

অধ্যাপক মোক্তার আলীর এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে যশোর-০৬ আসনে দীর্ঘ ২৯ বছর পর পুনরায় সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব ফিরে পেল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর আগে ১৯৯১ সালে যশোর-০৬ (কেশবপুর) আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

নির্বাচনে জয়লাভের পর কেশবপুরবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া এক আবেগঘন বক্তব্যে অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, তিনি শুধু একটি দলের প্রতিনিধি নন, বরং কেশবপুরের সব মানুষের সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ করতে চান। তিনি বলেন, “আমি দল-মত, জাতি-ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই একটি বৈষম্যহীন মডেল কেশবপুর গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ন্যায়ভিত্তিক স্থানীয় উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি তার কার্যক্রম শুরু করবেন। কেশবপুরে কোনো বৈষম্য বা বঞ্চনা থাকবে না—এমন একটি নতুন পরিচয় গড়ে তোলার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় পর জামায়াতে ইসলামী এ আসনে বিজয় অর্জন করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কেশবপুরে উন্নয়ন ও সুশাসনের বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশাও বেড়েছে বলে মনে করছেন তারা।