
নড়াইল জেলা প্রতিনিধি। নড়াইলের নড়াগাতি থানার মাউলি ইউনিয়নের তেলিডাংগা গ্রামের বিবাহিত যুবতিকে ধারালো ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে ক্ষতবিক্ষত করেছে তার তালাক প্রাপ্ত স্বামী। স্বজন সুত্রে জানা গেছে, ০৫ এপ্রিল রবিবার রাত আনুমানিক দেড় টার সময় নড়াগাতি থানার মাউলি ইউনিয়নের তেলিডাংগা গ্রামের ওবায়দুল শেখের বিবাহিত মেয়ে মিতু প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে তার তালাক প্রাপ্ত স্বামী কালিয়া উপজেলার মীর্জাপুর গ্রামের টুটু মল্লিকের ছেলে নুরে আলম মল্লিক ধারালো ব্লেড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর যখম করে। এমনকি তার ধারালো ব্লেডে দিয়ে গলাকেটে হত্যা করার চেষ্টা করেছিলো। তার শরীরের ৪৫ টি সেলাই দিয়েছে। আহত মিতু জানায়, ৫ এপ্রিল রবিবার গভীর রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে তার তালাক প্রাপ্ত স্বামী নুরে আলম পিছন থেকে ঝাপটে ধরে ধারালো ব্লাডদিয়ে আমার মুখে, চোখে ও গলায় আঘাত করতে করতে বলে তোকে জীবনের মত শেষ করে দিবো। তখন আমার ডাক চিৎকারে আমার আমার ভাই মহিদুল এসে রক্ত মাখা অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে আমি চিকিৎসাধীন। নুরে আলম একজন নেশাখোর। আমি তার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছি। আহত মিতুর ভাই বলেন, আমার বোন মিতুকে দেড় মাস আগে নুরে আলমের সাথে সমাজিক ভাবে তালাক প্রদান করা হয়। নুরে আমার বোন মিতুকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে ধারালো ব্লেড দিয়ে আঘাত করে গুরুতর যখম করেছে। নুরে আলম একজন নেশাগ্রস্ত লোক এবং মাদক ব্যাবসায়ী। আমরা ওই লম্ফট নুরে আলমের বিচার দাবী করছি। অভিযুক্ত নুরে আলমের সংগে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায় নাই। এলাকায় তোড়পাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবগত হয়েছি তবে এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেন নাই। অভিযোগ দিলে অবশ্যই আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।