
রাফাত আহম্মেদ, দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
দেবিদ্বার উপজেলার চরবাকর থেকে নবিয়াবাদ মডেল কলেজ পর্যন্ত চলমান সড়ক নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন তদন্তে গিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
স্থানীয়দের অভিযোগের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় রাস্তার চারটি পৃথক স্থানে কাটিং করে নির্মাণকাজের পুরুত্ব পরীক্ষা করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রাস্তার পুরুত্ব ৪০ মিলিমিটার হওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষায় বিভিন্ন স্থানে ৪১ থেকে ৪২ মিলিমিটার পাওয়া গেছে। ফলে নির্মাণকাজ নির্ধারিত মান অনুযায়ী হয়েছে বলে প্রশাসন নিশ্চিত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা রাসেল আহমেদ বলেন, এই সড়কটি এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ ভোগান্তিতে ছিলেন। সড়ক সংস্কারের ফলে চারটি ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। তিনি বলেন, “সব সময় শুধু অভিযোগ নয়, ভালো কাজের প্রশংসাও করা প্রয়োজন। প্রশাসন দ্রুত সাড়া দিয়ে তদন্ত করেছে এবং স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়েছে। এতে আমাদের আস্থা আরও বেড়েছে।”
দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। রাস্তার চারটি স্থানে পরীক্ষা করে ৪১-৪২ মিলিমিটার পুরুত্ব পাওয়া গেছে, যা নির্ধারিত মানের চেয়েও কিছুটা বেশি। তবে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, দেবিদ্বারের অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পেও একই ধরনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় থাকবে। তাদের মতে, প্রশাসনের এমন তৎপরতা জনগণের আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।