
মারুফ কবীর, যশোর
আগামী ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে যশোর জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিন জেলার ৬টি উপজেলা ও যশোর পৌরসভায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৬৪ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে যশোর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২ হাজার ৩০১টি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৬টি স্থায়ী কেন্দ্র, ৩০টি আউটরিচ কেন্দ্র, ৬টি অতিরিক্ত কেন্দ্র এবং ৯টি মোবাইল বা ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র রয়েছে।
কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১ হাজার ৩৮ জন সরকারি কর্মী, ৪ হাজার ৪৭৯ জন স্বেচ্ছাসেবকসহ মোট ৫ হাজার ২১৭ জন দায়িত্ব পালন করবেন।
লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪৪ হাজার ৬১২ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৯ হাজার ৬৫২ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
উপজেলাভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সদর উপজেলায় ৫৩ হাজার, মণিরামপুরে ৫৪ হাজার, ঝিকরগাছায় ৩৮ হাজার ৫০০, চৌগাছায় ৩৫ হাজার, কেশবপুরে ২৮ হাজার ৭০, বাঘারপাড়ায় ২৮ হাজার ৪১২ এবং যশোর পৌরসভায় ২৪ হাজার ৫০০ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
সদর উপজেলায় ৫টি মোবাইল বা ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এগুলো হলো আদ-দ্বীন হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল (বসুন্দিয়া), এফপিআই উপশহর, সেনাবাহিনী ক্যাম্প এবং বিমানবাহিনী ক্যাম্প। এছাড়া যশোর পৌরসভায় রেলস্টেশন, বাসস্টেশন, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার ও বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র পরিচালিত হবে।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা জেলার সকল অভিভাবককে নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর দৃষ্টিশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সংবাদ সম্মেলনে ডেপুটি সিভিল সার্জন নাজমুস সাদিক রাসেল, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।