রামপালকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুলবহির্ভূত শিশুমুক্ত ঘোষণা


dailymukti24 প্রকাশের সময় : ২০২৬-০৯-০৭, ৬:৪০ PM /
রামপালকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুলবহির্ভূত শিশুমুক্ত ঘোষণা

মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখ, রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলাকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুলবহির্ভূত শিশুমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রামপাল এরিয়া কো-অর্ডিনেশনের উদ্যোগে এ উপলক্ষে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা অডিটোরিয়ামে বিশেষ ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

‘আমার উপজেলা আমার দায়িত্ব, শিশুর জীবন হোক বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুলবহির্ভূত শিশুমুক্ত’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রামপাল উপজেলা প্রশাসন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে রামপাল এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ তামান্না ফেরদৌসি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রামপাল কো-অর্ডিনেশনের সিনিয়র ম্যানেজার ফুলি সরকার, ন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি কো-অর্ডিনেটর মোঃ জামাল উদ্দিন, রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ রাজিব আল রশিদ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা শেফা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইনসাদ ইবনে আমিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার এবং উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইমরান হোসেন।

এছাড়া ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নাথন চৌকিদার, চাইল্ড রাইটস ইন অ্যাকশনের বিউটি কুইন, চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার লিটন হিউবার্ট কোড়াইয়া, প্রোগ্রাম অফিসার সুবাস জয়ধর, পার্থ সারথী দেবে ও শিউলি কস্তা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার ঈশিতা বৈরাগী।

অনুষ্ঠানে রামপালের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা চাইল্ড ফোরাম ও ইয়ুথ ফোরামের সদস্য এবং ওয়ার্ল্ড ভিশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত শিশুরা অংশ নেয়।

শিশু সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বাল্যবিবাহ বন্ধ, শিশুশ্রম প্রতিরোধ এবং স্কুলের বাইরে থাকা শিশুদের পুনরায় শিক্ষার আওতায় আনা জরুরি।

রামপাল উপজেলাকে এসব সামাজিক সমস্যা থেকে মুক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।

এই অর্জন ধরে রাখতে শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।