লালমনিরহাটে স্বাস্থ্যকর্মীদের জিংক পুষ্টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


dailymukti24 প্রকাশের সময় : ২০২৬-০৩-১৭, ৩:৫২ PM /
লালমনিরহাটে স্বাস্থ্যকর্মীদের জিংক পুষ্টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক-
লালমনিরহাট জেলার ডায়াবেটিস হাসপাতাল সংলগ্ন জায়াভিয়েন রেস্ট হাউসের হলরুমে ১৫ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ দিনব্যাপী স্বাস্থ্যকর্মীদের জিংক পুষ্টি বিষয়ে প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ আয়োজন করে নিউট্রিসিয়াস এগ্রিফিউচার বাংলাদেশ লিমিটেড। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ডাঃ আব্দুল হাকিম, সিভিল সার্জন, লালমনিরহাট এবং কৃষিবিদ মোঃ শাহিনুল কবির, প্রকল্প ব্যবস্থাপক, ইএনএফএস প্রজেক্ট, হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের মানব স্বাস্থ্যে জিংক সমৃদ্ধ চালের উপকারিতা সম্পর্কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে এবং নারী ও কিশোর-কিশোরীদের জৈব-সুরক্ষিত ফসলভিত্তিক খাদ্য গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
নিউট্রিসিয়াস এগ্রিফিউচার বাংলাদেশ লিমিটেড ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ জৈব-ফর্টিফায়েড খাদ্য ফসলের উন্নয়ন ও প্রসারের মাধ্যমে পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (IFPRI)-এর অংশ হিসেবে CGIAR-এর সহযোগিতায় হারভেস্টপ্লাস বিশ্বব্যাপী জিংক সমৃদ্ধ ধানসহ পুষ্টিকর খাদ্য ফসলের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী স্বাস্থ্যকর্মীরা সমাজের কিশোর-কিশোরী, গর্ভবতী মা, দুগ্ধদানকারী মা, কৃষক ও গ্রামবাসীদের মধ্যে মানবদেহে জিংকের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন বলে জানানো হয়। জিংক শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নারীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় জিংক সমৃদ্ধ ধান অন্তর্ভুক্ত করলে দৈনন্দিন জিংকের ঘাটতি অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব।
হারভেস্টপ্লাস সরকারি ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বীজ ও চাল বিক্রেতাদের সম্পৃক্ত করছে, যাতে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী—বিশেষ করে প্রজনন বয়সী নারী, কিশোরী মেয়ে এবং ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলায় মোট ২৫ জন কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষে আগ্রহী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, জিংক ধান চাষে যেমন ভালো ফলন ও আর্থিক লাভ পাওয়া যায়, তেমনি পরিবারে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত ভাত নিশ্চিত করা সম্ভব।
প্রশিক্ষণটি সঞ্চালনা করেন কৃষিবিদ জনাব শাহিনুল কবির, প্রকল্প ব্যবস্থাপক, ইএনএফএস প্রজেক্ট, হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ।
(