

জনি পারভেজ, গুরুদাসপুর প্রতিনিধি-
নাটোরের গুরুদাসপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে সেচযন্ত্রের মাধ্যমে বিষাক্ত পানি ঢেলে পুকুরের মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সুবিচারের দাবিতে ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান গুরুদাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
অভিযুক্ত মিলন হোসেন উপজেলার বিয়াঘাট উত্তরপাড়া গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে। অভিযোগের কপি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান ও তার এক সহযোগী বিয়াঘাট কবরস্থানের একটি পুকুর লিজ নিয়ে সেখানে মাছ চাষ করে আসছিলেন।
লিজ নেওয়া পুকুরটির পশ্চিম পাড় বরাবর অভিযুক্ত মিলন হোসেনের সেচযন্ত্রের একটি নালা রয়েছে। নালার বিভিন্ন স্থানে ভাঙা অংশ দিয়ে পুকুরে পানি প্রবেশ করত। সম্প্রতি ওই পানি বন্ধ করা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৯ মার্চ বুধবার মিলন ওই নালা দিয়ে বিলের দূষিত ও পচা পানি রোরো জমিতে সেচ দেওয়ার সময় এর কিছু অংশ পুকুরে প্রবেশ করে। এতে বিষক্রিয়ায় পুকুরের প্রায় সব মাছ মারা যায়।
এ ঘটনায় হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মিলন হোসেনের নামে গুরুদাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরপাড়ে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে এলাকার অন্তত শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে হাবিবুর রহমান জানান, নালা মেরামতের জন্য মিলনকে বেশ কয়েকবার বললেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ করেছিলেন। পুকুরের সব মাছ মারা যাওয়ায় তিনি এখন পথে বসেছেন। এতে তার প্রায় ১৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি ক্ষতিপূরণ এবং অভিযুক্ত মিলনের শাস্তি দাবি করেন।
তবে অভিযুক্ত মিলন হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :