

ইমরান হোসেন, কেশবপুর (যশোর):
যশোরের কেশবপুরে শরিকানা পুকুর থেকে মাছ ধরে নেওয়ার প্রতিবাদ করায় সজল হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে কেশবপুর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন সকালে উপজেলার মঙ্গলকোট মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে। আহত সজল হোসেন বর্তমানে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের দাবি, তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, মঙ্গলকোট দক্ষিণপাড়া গ্রামের জহুরুল ইসলামের শরিকানা পুকুর থেকে কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক প্রায় পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের রুই, কাতলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নিয়ে যায়। পরে মাছ নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে সজল হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, হামলাকারীরা লোহার রড, হাতুড়ি, জিআই পাইপ ও শেকল ব্যবহার করে সজলের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ সময় সজলকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা তার ভাইঝি আলিফা খাতুন (১৮) মারধরের শিকার হন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তার গলায় থাকা প্রায় ৯০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
ঘটনার পর আহত সজলের পিতা জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন। পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোছা. রোকসানা খাতুন বলেন, “অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :