
ফাহিম হোসেন রিজু, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)
আসন্ন জাতীয় সংসদ ত্রয়োদশ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ (ঘোড়াঘাট-নবাবগঞ্জ-হাকিমপুর-বিরামপুর) আসনে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। মূল লড়াই হবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মধ্যে। তবে নতুন হিসেবে এতে যুক্ত হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা।
বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এই আসনে দাঁড়িয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মো: আনোয়ারুল ইসলাম। এবি পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানি আব্দুল হকও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধান দুই দলের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং এবি পার্টির অংশগ্রহণে ভোটের সমীকরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুর-৬ আসনটি বিএনপি ও জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। অতীতে এই আসনে জামায়াত ২ বার, বিএনপি ১ বার এবং আওয়ামী লীগ ৫ বার বিজয়ী হয়েছে। এবারের ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট ভাগাভাগির আশঙ্কা করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতারা।
মাঠে ইতিমধ্যেই নেমে পড়েছে প্রধান তিন দলের নেতাকর্মীরা। বিএনপির পক্ষ থেকে চলছে উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ ও ইউনিয়নভিত্তিক মতবিনিময় সভা। জামায়াতের পক্ষেও চলছে গণসংযোগ ও জনসংযোগ। এবি পার্টি নতুন হলেও স্থানীয় প্রচারণা ও গণসংযোগ শুরু করেছে।
বিএনপি নেতা ডা: জাহিদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। অপরদিকে, জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলামও স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়। নবীন দল এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা সানি আব্দুল হকও নতুন দলের বার্তা নিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছাচ্ছেন।
স্থানীয় ভোটাররা জানিয়েছেন, এই ত্রিমুখী লড়াইয়ে দিনাজপুর-৬ আসনের নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক উত্তাপ ও জনমতের আগ্রহ তত বাড়ছে। তবে আওয়ামী লীগ ভোটের মাঠে ফিরলে পাল্টে যাবে এ হিসাব নিকাশ।

প্রতিবেদকের নাম 












