
নিজস্ব প্রতিবেদক, শ্রীপুর (গাজীপুর):
আসন্ন ৪নং তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন মোঃ শাহজাহান মোড়ল। তিনি বর্তমানে তেলিহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এর আগে দলটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নিজের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরছেন। এ সময় তিনি স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথাও শুনছেন।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান মোড়ল বলেন, “আমি কোনো ক্ষমতার দাপট দেখাতে নির্বাচন করছি না। তেলিহাটির মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মানুষের অভাব-অভিযোগ ও সমস্যাগুলো খুব কাছ থেকে দেখেছি। নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদকে দালালমুক্ত করার পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ নিশ্চিত করব।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের ট্যাক্সের টাকার স্বচ্ছ হিসাব দিতে আমি দায়বদ্ধ থাকব। প্রতি মাসে গণশুনানির মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে এবং জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।”
তার ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূল, বেকার যুবকদের কারিগরি ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উন্নত রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি গুরুত্ব পেয়েছে।
ইউনিয়নের এক বাসিন্দা, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেন, “রাজনীতিতে শাহজাহান মোড়লের স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এলাকার চিত্র বদলে যেতে পারে। বিশেষ করে আয়-ব্যয়ের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশের ঘোষণাটি ইতিবাচক উদ্যোগ।”
মুলাইদ এলাকার বাসিন্দা মরিয়ম বেগম বলেন, “নাগরিক সেবার জন্য আগে পরিষদে বারবার যেতে হতো। তিনি যেভাবে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর কথা বলছেন, তা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেক কমবে।”
ব্যক্তিগত জীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক শাহজাহান মোড়ল জানান, তিনি অতীতে কোনো নির্বাচনে প্রার্থী হননি। তার বাবা মরহুম মোঃ আব্দুল খালেক মোড়ল। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে অতীতে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি দলীয় ও সামাজিক বিভেদ ভুলে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতিবেদকের নাম 






