

জাহিদুল হক বাবু, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহে উচ্চ ফলনশীল নতুন জাতের ব্রি ধান ১০৩-এর নমুনা শস্য কর্তন ও ফলন যাচাই করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের উদ্যোগে পরিচালিত এ পরীক্ষায় হেক্টরপ্রতি ৭ দশমিক ৪ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের ফল পাওয়া গেছে। আমন মৌসুমে নতুন এ জাতের ভালো ফলনে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের হলিধানী মাঠে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় আনুষ্ঠানিকভাবে নমুনা শস্য কর্তন ও ফলন যাচাই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. আনিসুজ্জামান খান।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিউদ্দিন উদ্দীন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হেনা রাণী, স্থানীয় কৃষক আব্দুর রহিমসহ এলাকার অন্যান্য চাষি।
ফলন যাচাই প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ব্রি ধান ১০৩ একটি উচ্চ ফলনশীল জাত। প্রচলিত অন্যান্য জাতের তুলনায় আমন মৌসুমে এ জাতের ফলন বেশি পাওয়া যায়। বৃত্তাকার পদ্ধতিতে এক শতক জমির ধান কেটে পরিমাপের মাধ্যমে ফলন নির্ধারণ করা হয়েছে।
কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন জাতের ধানের ফলন যাচাইয়ের মাধ্যমে কৃষকদের সামনে এর উৎপাদন সক্ষমতা তুলে ধরা সম্ভব হচ্ছে। এতে আধুনিক ও উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
কৃষি বিভাগের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাঁদের মতে, নতুন জাতের ধানের উৎপাদন ও ফলন সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে চাষাবাদের সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :