লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় বৈধ বালুমহাল না থাকায় বালু সংগ্রহে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বালু সরবরাহ করতে বাড়তি ব্যয় ও নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন স্থানীয় ঠিকাদাররা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটমারী, কাশিরাম, চৌধুরীর হাট, মুন্সিরবাজার, বৈরাতির চিকারমোড়, কাকিনার রুদ্রেশ্বর ও মহিষামুড়ি এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বালু সংগ্রহ ও সরবরাহ করা হচ্ছে। এদিকে কাকিনার রুদ্রেশ্বর বটতলা এবং ভোটমারীর নাককাটির ডাঙ্গাসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী এলাকা, কৃষিজমি ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
স্থানীয় বাজারে প্রতি ট্রাক লোকাল বালু প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ভিটি বালু প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঠিকাদাররা জানান, বৈধ বালুমহাল না থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে বালু আনতে হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি সরকারি উন্নয়নকাজে বালু সরবরাহেও জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ উপজেলায় বালুমহাল না থাকায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তবে অবৈধ ড্রেজার বা তিস্তা নদী থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া মাত্রই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
স্থানীয়দের দাবি, জনভোগান্তি নিরসনে পরিবেশের ক্ষতি না করে আইনসম্মত বালু সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
আপনার মতামত লিখুন :